https://ratdin.news
শেকড়ের খবর সবার আগে...

রংপুরে ‘মিঠুর গলি’ খুঁড়ে খোঁজ নেই ঠিকাদারের, দুর্ভোগে নগরবাসী

রংপুর নগরীর ‘মিঠুর গলি’ সড়কে নিত্য চলাচলকারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তাদের পাশাপাশি বেকায়দায় পড়েছেন ওই সড়কের উভয় পাশের ব্যবসায়ীরাও। সংস্কারের জন্য রাস্তাটি খুঁড়ে রাখায় মাস খানেক ধরে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কাজের ধীরগতির জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শনোর নোটিশও দেয়া হয়েছে। কিন্তু কাজটি শেষ হয়নি আজ পর্যন্ত।

সড়কটির দুই পাশে সোনালী ব্যাংক, বেকারী, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী, ঔষধসহ বিভিন্ন পণ্যের শতাধিক দোকান রয়েছে। ফলে সেখানকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে এই রাস্তায় বাণিজ্যিক ব্যাংক থাকায় সেই ব্যাংকে পেনশন গ্রহীতা বৃদ্ধরা আসেন। ইতোমধ্যেই কয়েকজন খুড়ে রাখা গর্তে পড়ে আহত হয়েছেন।

ওই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী জুম্মাপাড়ার মুত্তাকিন ইসলাম বলেন, ‘ব্যস্ততম এ রাস্তাটি কি কারণে ঠিকাদার মাসের পর মাস ফেলে রেখেছেন এটা আমার বোধগম্য হয় না’।

কুকরুলের সামসুল আলম বলেন, ‘কাঠের উপর দিয়ে ব্যাংকে প্রবেশ করতে গিয়ে অনেকে পা পিছলে পড়ে আহত হয়েছেন। যদি কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে তবে এর দায় সিটি কর্পোরেশন ও ঠিকাদারকে নিতে হবে’।

জানা গেছে, বর্তমানের ১৪ ফুট প্রস্থের সড়কটি বাড়িয়ে ড্রেনসহ ১৬ ফুট ৯ ইঞ্চি করতে জাইকার অর্থায়নে গত বছরের মে মাসে প্রকল্পটি পাশ করে রংপুর সিটি কর্পোরেশন। টেন্ডারসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে রাস্তাটির কাজ শুরু হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার খাইরুল কবির রানা নিজে কাজটি করছেন না জানিয়ে বলেন, ‘শর্ত সাপেক্ষে আমি কাজটি একজন সাব-ঠিকাদারকে দিয়েছি। তার সাথে করা চুক্তিনামায় বলা হয়েছে, কাজের ত্রæটি হলে সেটার দায় তাকেই বহন করতে হবে’।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, ইতোমধ্যে কাজের ধীরগতির কারণে ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সময় অনুযায়ী কাজটি শেষ করতে না পারলে চুক্তি বাতিল করা হবে।

এবি/রাতদিন

লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে

Follow by Email