‘পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়ার’ সালিশ করে কারাগারে আদিতমারীর ইউপি চেয়ারম্যান

এক নববধুকে আটকে তালাক নামায় স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে দায়ের মামলায় শওকত আলী নামের এক চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। লালমনিরহাটের কোর্ট ওসি জাহাঙ্গীর আলম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতিও তিনি।

সোমবার, ১৮ মার্চ শওকত আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন লালমনিরহাটের দায়রা জজ কেএম মোস্তাকিনুর রহমান।

আদালত সূত্র জানায়, আদিতমারীর মদনপুর খামারটারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সুজন মিয়ার সঙ্গে হাতীবান্ধার ভেলাগুড়ি গ্রামের আশরাফুলের মেয়ে আরফিনা বেগমের বিয়ে হয় গত বছর । তবে বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের দাম্পত্যকলহ শুরু হয়। এরই জেরে আরফিনা তার স্বামী সুজনের পুরুষাঙ্গ কেটে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর দুই পক্ষকে নিয়ে পলাশী ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ বৈঠকে বসেন ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী। পরে সেখানে জোর করে ওই নববধুর কাছ থেকে তালাকনামায় স্বাক্ষর নেন ইউপি চেয়ারম্যান।

পরবর্তিতে এ ঘটনায় গৃহবধু আরফিনা বাদি হয়ে কয়েজনের নামে মামলা করেন। যেখানে চেয়ারম্যান শওকত আলীকেও আসামি করা হয়।

এইচএ/রাতদিন